শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকঃ) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত শতভাগ পাশকৃত প্রতিষ্ঠান নেই, একজনও পাশ করেনি ২টি মাদ্রাসায় সারের দাবিতে রোপা-আমন চাষিদের মহাসড়ক অবরোধ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক র‍্যাবের মাদকবিরোধী টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত আয়কর আইন আনীত পরিবর্তন সমূহের উপর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপসহ ২জন আটক রবি মৌসুমের সবজিতে স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা জুয়া খেলায় নিষেধ করায় কলেজ শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কৃষকেরা রোপা-আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে দলিল লেখক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি সিরাজুল ও সাধারণ সম্পাদক হামিদুর ইস্কাপ সিরাপসহ মোটর সাইকেল এবং বিভিন্ন মালামাল জব্দ

বাড়ির উঠানে শোভাবর্ধন করেছে জবা ফুল

আলোর মনি ডটকম ডেস্ক রিপোর্ট: লালমনিরহাট জেলার ৫টি (লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম) উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন ও ২টি (লালমনিরহাট, পাটগ্রাম) পৌরসভার প্রত্যকটি বাড়ির উঠানে উঠানে শোভাবর্ধন করেছে জবা ফুল।

 

জানা যায়, জবা একটি অতি সুন্দর ও খুবই আকর্ষণীয় ফুল গাছ। এ জবা ফুল গোলাপি, সাদা, লাল, হলুদসহ নানা বর্ণের হয়ে থাকে। আমাদের বাংলাদেশের সর্বত্রই দেখা যায় জবা ফুলের। সাধারণত শোভাবর্ধনকারী উদ্ভিদ হিসেবে কম আর বেশি প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনা কিংবা বাড়ির ছাদে জবা ফুলগাছ লাগানো হয়ে থাকে।  মালভেসি গোত্রের অন্তর্গত চিরসবুজ পুষ্পধারী গুল্ম এই জবা ফুল। জব ফুলের উৎপত্তি পূর্ব এশিয়ায়। ১৭৫৩ সালে বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস-এর নাম দেন “Hibiscus rosa-sinensis”। লাতিন শব্দে “rosa-sinensis”-এর অর্থ “চীন দেশের গোলাপ”। বাংলায় নাম রক্তজবা, জবা, জবা কুসুম বলা হয়ে থাকে।

 

আরও জানা যায়, জবা ফুলের বংশবিস্তার হয়ে থাকে শাখা কলমের মাধ্যমে। প্রায় সারা বছরই ফোটে এ জবা ফুল। গাঢ় সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে জবা ফুল থাকে। গাছের উচ্চতা প্রায় ৮ থেকে ১৬ ফুট। পাতাগুলো চকচকে সবুজ ও ফুলগুলো উজ্জ্বল এবং পাঁচটি পাপড়িযুক্ত। ফুলগুলোর ব্যাস গড়ে ৪ ইঞ্চি এবং গ্রীষ্ম ও শরৎকালে ফোটে। জবা ১০ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচের তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না, তাই এর নিচের তাপমাত্রার অঞ্চলে জবাগাছ কাচের ঘরে জন্মে। ঔষধি গুণাগুণ সমৃদ্ধ জবা ফুল। বিভিন্ন রোগের ঔষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। চোখ ওঠা দূর করতে জবাপাতার প্রলেপ দিলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। সর্দি ও কাশিতে জবা ফুল বেটে রস করে পানিতে মিশিয়ে খেলে রোগী সুস্থ্য হয়। চুলের বৃদ্ধির জন্য জবাপাতার রস তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগালে উপকার হয়।

 

লালমনিরহাট আদর্শ ডিগ্রী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র রিজভী আহমেদ সৌরভ বলেন, জবা ফুল গাছ আমাদের বাড়ির উঠানেও রয়েছে। জবা ফুল ফুটলে সবার দৃষ্টি কারে। সেই সাথে বাড়ির সুন্দর্য্য বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone